নবজাতক সন্তান পৃথিবীতে আগমন করলে সবচেয়ে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোর একটি হলো তার জন্য একটি সুন্দর ও অর্থবহ নাম নির্বাচন করা। ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে সন্তানের নাম রাখা শুধু একটি সামাজিক কাজ নয়, বরং এটি একটি আমানত ও দায়িত্ব।
ইসলামিক নাম সাধারণত আল্লাহ্র গুণাবলি, নবী-রাসূল, সাহাবা বা নেক মানুষের নাম অনুসারে রাখা হয়। এতে শিশুর পরিচয়ে একটি বিশ্বাস ও সংস্কৃতির ছাপ পড়ে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“তোমরা তোমাদের সন্তানদের ভালো নাম দাও।”
(আবু দাউদ, হাদিস: 4950)
হাদীসে বর্ণিত আছে, কিয়ামতের দিন বান্দাদের নাম ও তাদের বাবার নামে ডাকা হবে। তাই সন্তানের একটি উত্তম নাম রাখা উত্তম আমল হিসেবে বিবেচিত।
আল্লাহর নামের সঙ্গে "আব্দ" যুক্ত করে রাখা (যেমন: আব্দুল্লাহ, আব্দুর রহমান)।
নবী, সাহাবা বা নেককার নারীদের নাম রাখতে উৎসাহিত করা হয়।
নামের অর্থ যেন নেতিবাচক বা অশুভ না হয়।
কোনো মূর্তি পূজা, অশ্লীলতা বা কুফরি অর্থসম্পন্ন নাম থেকে বিরত থাকতে হবে।
সন্তানের নাম যেন শুধু উচ্চারণে সুন্দর না হয়, তার অর্থেও যেন হেদায়েত, বরকত ও ইসলামী মূল্যবোধ থাকে। একটি সুন্দর ইসলামিক নাম যেন শিশুর জীবনের দিকনির্দেশনায় অবদান রাখে।